দীর্ঘদিন ধরে অসহায় ও দরিদ্র রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান, নিয়মিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন, এবং শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়নে অনন্য অবদান তাঁকে জনমনে একজন 'নেবক নন, সেবক' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ডা. আব্দুল হামিদ বর্তমানে ন্যাশনাল ডক্টরস ফোরাম (এনডিএফ) টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি এবং ধলেশ্বরী হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
জনগণের হৃদয়ে স্থায়ী আসন
স্থানীয় ভোটারদের মতে, ডা. হামিদ শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন; তিনি বিপদের বন্ধু। দেলদুয়ার উপজেলার ভোটার আব্দুল বাছেদ বলেন, "যখন কারও বিপদ হয় বা অসুস্থ হয় শোনা মাত্রই ডা. হামিদ নিজেই গাড়ি নিয়ে চলে আসেন। তাঁরমত মানুষ এমপি পাওয়া সত্যিই সৌভাগ্যের হবে।" নাগরপুর উপজেলার এক ৭৫ বছর বয়সী ভোটার তাঁকে "এলাকার গরিবের ডাক্তার, মেহনতি মানুষের বন্ধু" হিসেবে আখ্যা দেন।
দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা নির্যাতন ও হয়রানির মুখেও তিনি জনগণের পাশে থেকেছেন, যা তাঁর দৃঢ় মনোবল ও নীতিনিষ্ঠ জীবনকে সাধারণ মানুষের সবচেয়ে কাছের মানুষে পরিণত করেছে।
নির্বাচনী মাঠে ব্যাপক সাড়া
ডা. আব্দুল হামিদের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির পরিচালক মির্জা রাশিদুল হাসান জুয়েল বলেন, "প্রতিদিনই ডা. হামিদ ভাইয়ের জনপ্রিয়তা বেড়ে চলেছে। মানুষ তাঁর প্রতি আস্থা রাখছে, ভালোবাসা দিচ্ছে। ইনশাআল্লাহ, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিজয় আমাদের হবেই।"
সহকারী পরিচালক অধ্যাপক আব্দুস সালামের মতে, ডা. হামিদ একজন শিক্ষিত, বিনয়ী ও জনদরদি মানুষ, যার নীতিনিষ্ঠ জীবন ও পরিশ্রমী মনোভাব তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। নাগরপুর ও দেলদুয়ার উপজেলা জামায়াতের আমীররা মাঠে অভাবনীয় সাড়া পাওয়ার কথা জানিয়েছেন, যা পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষার ইঙ্গিত দেয়।
পরিবার ও প্রতিজ্ঞা
ব্যক্তিগত জীবনে ডা. হামিদ দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক, যেখানে পরিবারের প্রায় সবাই (স্ত্রী, দুই পুত্রবধূ, এক মেয়ে, ও এক ছেলে) ডাক্তার বা ব্যারিস্টার। এই শিক্ষিত পরিবার স্থানীয় জনগণের আস্থাকে আরও দৃঢ় করেছে।
এমপি প্রার্থীর কনিষ্ঠ পুত্র ব্যারিস্টার হাসনাত জামিল বলেন, "আমার বাবা আমাদের শিখিয়েছেন রাজনীতি মানে মানুষের সেবা করা। মানুষের ভালোবাসাই তাঁর সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।"
নাগরপুর প্রেসক্লাব সদস্যের এক সাক্ষাৎকারে এমপি প্রার্থী ডা. এ.কে.এম. আব্দুল হামিদ বলেন, "আমি রাজনীতি করি মানুষের কল্যাণের জন্য, ক্ষমতার জন্য নয়। জনগণের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।" জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলে তিনি নাগরপুর ও দেলদুয়ারের সকল মানুষের কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার করেন।
বর্তমানে নাগরপুর ও দেলদুয়ারের গ্রামাঞ্চলে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণ অধিকার পরিষদসহ বিভিন্ন দলের উঠান বৈঠক ও গণসংযোগে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। তরুণ ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণে পুরো নির্বাচনী মাঠে নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়েছে। ডা. এ.কে.এম আব্দুল হামিদ এখন টাঙ্গাইল-৬ আসনের ভোটারদের কাছে পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন।
Online Desk